DONET(ডোনেট)  সমাজ উন্নয়ন সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অগ্রাধিকারমূলক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নে লিপিবদ্ধ করা হলোঃ

( ক) পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাঃ-
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে এই সংস্থা বিশেষ ধরনের যে কোন কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে পারবে। যেমনঃ সড়ক-মহাসড়কের পাশে, খালের ধারে, বাড়ীর আঙ্গিনা ও ছাদে , অনাবাদী বা পতিত জমিতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের আবাদ বৃদ্ধি করা বা বনায়ন/বৃক্ষরোপন করা, যত্রতত্র ময়লা স্তুপ না করে তা নির্ধারিত স্থানে জমাকরণ এবং নিঃসরণ, বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন, নদী ভাঙ্গণ ও মরুকরণরোধ ইত্যাদি।

(খ) খাদ্যাভাব পূরণ ও অধিক খাদ্য উৎপাদনঃ-
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণে গ্রাম বাংলার কৃষক সমাজকে সার্বিক সচেতনতাদানের পাশাপাশি শিক্ষা-প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দুষণমুক্ত পরিবেশ বান্ধব উপায়ে অধিক খাদ্য-শস্য উৎপাদনে উদ্ধুদ্ধকরণ কর্মসূচি প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন করা। মাটি ও মানুষের স্বাস্থ্য পরিপন্থী ফসল উৎপাদনে নিরুৎসাহিত করা। প্রচলিত খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে নতুন নতুন স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা।

(গ) মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিকরণঃ
অধিক খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে মাটির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধিকরণার্থে রাসায়নিক সার যথাসম্ভব পরিহার পূর্বক প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি কম্পোষ্ট/জৈব সারের ব্যবহার বৃদ্ধি করা এবং এ বিষয়ে কৃষক সমাজকে শিক্ষা-প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্ধুদ্ধকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করাসহ দূষণমুক্ত বাতাসের পরিবেশ রক্ষা করা।

(ঘ) মিঠা পানির সদ্ব্যবহার ও সংরক্ষণঃ-
প্রত্যাহিক জীবনের পাশাপাশি কৃষি কাজে ও শিল্পে ব্যবহার জন্য প্রতিনিয়তঃ মিঠা পানির স্বেচ্ছাচারী ব্যবহারের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্থর যেমন নীচে নামছে তেমনি ভূমির উপরিভাগের মিঠা পানিও দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে তাই মিঠা পানির অপচয়রোধে ও তা সংরক্ষণে বিশেষ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা যেমনঃ- প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানির অপচয় রোধ করে ডিজেল/ জ্বালানীর সাশ্রয়করণসহ বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয়করণ ইত্যাদি।

 

(ঙ) মরুকরণ প্রতিরোধ ঃ-
দেশকে মরুকরণের হাত হতে রক্ষার্থে অধিক বৃক্ষরোপনসহ এই সংস্থা মরুকরণ বিরোধী কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে ও নদী ভাঙ্গনরোধে কর্মসূচী বাস্তবায়নসহ নদীভাঙ্গা মানুষের কল্যাণেও কাজ করবে।

(চ) পরিকল্পিত জনব্যবস্থা ( আবাসন) ঃ-
জনসংখ্যার চাপে নুয়ে পড়া তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল একটি দেশ আমাদের বাংলাদেশ। এই দেশের প্রায় ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠি বসবাসের জন্য অপরিকল্পিতভাবে বাড়ী-ঘর তৈরী করায় দিনদিন কমে যাচ্ছে আবাদী জমির পরিমাণ। দেখা দিচ্ছে খাদ্য অভাব, প্রকৃতি হারাচ্ছে ভারসাম্য তাই প্রতিবছরেই হয় অনাবৃষ্টি বা অতিবৃষ্টি, বন্যা, ঝড় সহ বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তাই কৃষি জমি রক্ষার্থে ও অন্যান্য বালাই দূরীকরণার্থে শহুরে জীবনের পাশাপাশি গ্রামীণ জীবনেও স্বল্পব্যায়ে পরিকল্পিত আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে এই সংস্থার একটি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

(ছ) জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ঃ-
প্রাকৃতিক বৈচিত্র রক্ষাসহ জীববৈচিত্র রক্ষাকল্পে এই সংস্থা বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

(জ) জাতি গঠনমূলক সেবাধর্মী বিভিন্ন প্রকার কার্যক্রম পরিচালনা করা ঃ-
উপরোক্ত কার্যক্রম বাস্তবায়নের পাশাপাশি এই সংস্থা কর্ম এলাকায় জাতি গঠনমূলক নিম্নোক্ত উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য পূরণেও কর্মসূচী পরিচালনা করবে। যেমনঃ-
(১) শিক্ষা সংক্রান্ত ঃ- এই সংস্থা আঞ্চলিকভাবে শিক্ষা বিস্তারে দরিদ্র-অসহায় পরিবারে ঝরে পড়া মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তাদানের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে যুগের চাহিদা অনুযায়ী মান সম্পন্ন শিক্ষা সম্প্রসারণে বিশেষ কর্মসূচী বাস্তবায়ন করবে। যেমনঃ-
(ক) শিক্ষার প্রসারতা বৃদ্ধির জন্য আঞ্চলিকভাবে ও জাতীয় পর্যায়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা।
(খ) দরিদ্র অসহায়, ভূমিহীন, কৃষি শ্রমিক শ্রেনীসহ সকল প্রকার প্রতিবন্ধীদের পাশাপাশি আদিবাসী/ হরিজনদের সন্তানাদির মধ্যে শিক্ষা সহায়ক সামগ্রী বিতরণ করা।
(গ) শিক্ষার মান উন্নয়নে গবেষণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।
(ঘ) শিক্ষা সম্প্রসারণে গণ পাঠাগার পরিচালনা ও গবেষণামূলক বিশেষায়িত পাঠাগার স্থাপন।
(ঙ) শিশু, কিশোর ও বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা করা।

(২) সংস্কৃতি বিষয়ক ঃ- দেশীয় সংস্কৃতির ধারক-বাহক হিসেবে এই সংস্থা বিভিন্ন প্রকার সভা-সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করবে। জাতীয় ও ধর্মীয় দিবসসমূহ যথাযথ মর্যাদায় পালন করবে। সর্বপ্রকার দেশী-বিদেশী ক্রীড়া, কৌতুক. সাহিত্য-সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতাসহ স্থানীয় ক্রীড়াবিদ ও সাংস্কৃতিক শিল্পীদের সমন্বয়ে দল গঠন পূর্বক আঞ্চলিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশ গ্রহন নিশ্চিত করবে। ক্রীড়া, সাহিত্য সংস্কৃতিসহ জাতীয় উন্নয়নে অবদান রেখেছেন এমন ব্যক্তিদের পদক ও সম্মাননা প্রদান করা।

জাতী গঠনমূলক সেবাধর্মী শিক্ষা ঃ- সংস্কৃতি বিষয়ক কার্যক্রমের পাশাপাশি এই সংস্থা গ্রামীণ জনগোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিম্ন বর্ণিত কার্যক্রম পরিচারনা করাঃ-
(১) তথ্য সংগ্রহ ঃ- “ ডোনেট” (সমাজ উন্নয়ন সংস্থা) একটি স্বেচ্ছাসেবী ও অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতী, ধর্ম, শ্রেনী পেশা, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে কর্ম এলাকায় একবিংশ শতাব্দির যথাপযুক্ত করে তথ্য প্রযুক্তি ও মেধা লালনের সহায়ক শক্তি হিসেবে সুশিক্ষা বিস্তারে এবং লক্ষ্যভূক্ত জনগোষ্ঠির মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরন ও টেশসই আর্থিক বুনিয়াদ তথা আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সু-সংগঠিত করার জন্য সকলের পারিবারিক তথ্য সংগ্রহ করবে।

(২) দল গঠন ঃ- সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে/জরিপ অনুযায়ী সকল শ্রেনী-পেশার মানুষের সমন্বয়ে উপজেলা/ইউনিয়ন/ওয়ার্ড ও মহল্লাভিত্তিক ইউনিট গঠন পূর্বক নিয়মিত দলীয় সভা ও দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা। সামাজিক সকল সমস্যা সমাধানকল্পে দলীয় সভায় কার্যক্রম গ্রহন করা ও দলীয়ভাবে তা প্রতিহত বা প্রতিরোধ করা। সরকারের সকল প্রকার সেবা ও জাতী গঠনমূলক কাজে দলবদ্ধভাবে শরীক হওয়া।

(৩) পারষ্পারিক সম্পর্ক উন্নয়ন ঃ- এই প্রতিষ্ঠান এলাকাবাসী ও সদস্য/সদস্যাদের সৌহার্দ-সম্প্রীতি, ভাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি ও পারষ্পারিক সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষে বার্ষিক সাধারণ সভা ছাড়াও বিভিন্ন প্রকার দিবস সমূহ যথাযথ মর্যাদায় পালন ও পূনর্মিলনীর আয়োজন করা।

(৪) সচেতনতা সৃষ্টি ঃ- সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ধর্মীয় মূল্যবোধের ভিত্তিতে নৈতিক চরিত্র গঠন ও সামজিক শিক্ষা-প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, সামাজিক চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী মানবাধিকার আইন এবং সামাজিক প্রতিটি বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন প্রকার কর্মশালা, সভা-সেমিনার, পথনাটক, গণ সংগীত, পাঠাগার পরিচালনা এবং স্বরণিকা/দেয়ালিকা / ম্যাগাজিন প্রভৃতি প্রকাশনার ব্যবস্থা করা।

(৫) সমাজ বিরোদী কার্যকলাপ তহতে জনগণকে বিরত রাখার উদ্দেশ্য চিত্ত বিনোদন কর্মসূচী ঃ- অত্র এলাকায় প্রতিবন্ধি সমাজসহ সকল ধর্ম-বর্নের জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্র ও প্রচরিত আইন বিরোধী এবং জঙ্গী বিরোধী কার্যক্রম হতে বিরত রাখতে সকলকে উদ্ধুদ্ধকরণ কার্যক্রম গ্রহন এযং সকলের জন্য সুস্থ্য ধারার বিনোদনমূলক কর্মসূচী বাস্তবায়নের পাশাপাশি ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।

(৬) যৌতুক বিরোধী কার্যক্রম ঃ- যৌতুক বিরোধী ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহন ও এর আওতায় সাধারণ জনগোষ্ঠিকে “যৌতুক দিব না, যৌতুক নিব না” এই মন্ত্রে দিক্ষিত করা।

(৭) পরিবার পরিকল্পনা ঃ- দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপ এড়াতে ও পরিকল্পিত পরিবার গঠনের লক্ষে এলাকায় পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচী বাস্তবায়নে জনগণকে উদ্ধুদ্ধ করাসহ প্রয়োজনীয় কর্মসূচী গ্রহনকরা। সরকারী ভাবে পরিচালিত পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মসূচী সমূহ বাস্তবায়নে তাদের সহযোগীতা করা এবং সংস্থার অর্থায়নে দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে সরকারের পাশাপাশি সংস্থা কর্তৃক চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র স্থাপন করে সরকারের কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগীতা করা।

(৮) নারী কল্যাণ ঃ- যেহেতু এদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। তাই এই প্রতিষ্ঠান হতদরিদ্র, বিত্তহীন, অসহায়, তালাকপ্রাপ্তা, বিধবা ও সমাজ থেকে পিছিয়ে পড়া ভাগ্যহত নারী সমাজের সার্বিক জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচী গ্রহন করবে এবং জঙ্গীমুক্ত নারী সমাজ প্রতিষ্ঠা করবে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় যুগ উপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এলাকার প্রতিবন্ধি সমাজের প্রতিটি নারীর শিক্ষা-প্রশিক্ষণ ও আত্ম-কর্মসংস্থানে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহন করে সকলের মৌলিক ও মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠাকরণ, জঙ্গী নির্মূল, নারী পাচার রোধসহ নারী নির্যাতন বন্ধে সংস্থার সামথ অনুযায়ী নিজস্ব অর্থায়নে ও ব্যবস্থাপনায় তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বিশেষ শিক্ষা-প্রশিক্ষণের ও পূর্নবাসনের ব্যবস্থা করা।

(৯) শারীরিক ও মানষিক অসমর্থ ব্যক্তিদের কল্যাণ ঃ- এলাকায় শারীরিক ও মানষিক অসমর্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সার্বিক কল্যাণে শিক্ষা-প্রশিক্ষণ ও আত্ম-কর্মসংস্থানে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহন করে সকলের মৌলিক ও মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করণ। সংস্থার সামর্থ অনুযায়ী নিজস্ব অর্থায়নে ও ব্যবস্থাপনায় তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বিশেষ শিক্ষা-প্রশিক্ষণের ও পূর্নবাসনের ব্যবস্থা করা। শারীরিক ও মানষিক অসমর্থ ব্যক্তিসহ সকল প্রকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণ ও তাদের সেবা দানে কর্মসূচী গ্রহন করা। যেমনঃ- প্রতিবন্ধিদের সহায়ক সামগ্রী প্রদান, চিকিৎসা সেবা প্রদান, আর্থিক সহায়তা দান, আত্মকর্মসংস্থান সৃজন ও পুর্নবাসন করা। শারীরিক ও মানষিক অসমর্থ ব্যাক্তিদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সংস্থার অর্থায়নে কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে চিকিৎসা সেবা দান করা।

(১০) ভিক্ষুক ও দুঃস্থ্যদের কল্যাণ ঃ- প্রতিবন্ধিদের পাশাপাশি এতিম অসহায় দুস্থ, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ, ভিটে-মাটি হারা অসহায়, ও ভিক্ষুকসহ পরিবার হতে বিচ্ছিন্ন ব্যাক্তিদের কল্যাণে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা প্রদানসহ উৎপাদনমূখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে তাদের সমাজের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করা।

(১১) সামাজিক অসামর্থ ব্যাক্তিদের কল্যাণ ঃ- এলাকার সামাজিক অসামর্থ প্রতিবন্ধী সমাজসহ পরিবার থেকে বিছিন্ন বা সামাজিকভাবে অসহায়-অসামর্থ ব্যক্তিদের কল্যাণে পুর্নবাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠাসহ শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুর্নবাসন কর্মসূচি গ্রহন ও বাস্তবায়ন করা।

(১২) রোগীদের কল্যাণ ও পুর্নবাসন ঃ- এলাকার গণমানুষসহ প্রতিবন্ধি সমাজসহ সংস্থার শিক্ষার্থী-নিবাসীদের ন্যায় দরিদ্র, অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসার্থে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র পরিচালনা করা। উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। রোগত্তর সেবা ছাড়াও রোগের আগে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা। দুঃস্থ্য-অসহায় রোগীদের কল্যাণ ও সেচ্ছায় রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্যপদ গ্রহনে বিত্তবানদের উদ্ধুদ্ধ করা।

(১৩) বৃদ্ধ ও দৈহিক অসামর্থ ব্যাকিক্তদের কল্যান ঃ- প্রবীণ নিবাস/ আশ্রয় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে এলাকার বৃদ্ধ ও দৈহিক অসামর্থ ব্যাক্তিদের পূর্নবাসনের ব্যবস্থা করা এবং প্রতিবন্ধি সমাজের প্রবীণ ও দৈহিক অসামর্থ ব্যাক্তি যারা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন তাদের সার্বিক কল্যাণে প্রয়োজনীয় কর্মসূচী প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন করা।

(১৪) আয়বর্ধক কর্মসূচী বাস্তবায়ন ঃ- সংস্থার আয়বর্ধক কার্যক্রমের আওতায় সদস্য/সদস্যাদের পাশাপাশি এলাকাবাসীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও আত্মকর্ম সংস্থানের লক্ষ্যে আয়বর্ধক কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা। যেমন; মৎস চাষ প্রকল্প, সামাজিক বনায়ন তথা বৃক্ষরোপন, হাঁস-মূরগী ও গোবাদী পশুপালনসহ বিভিন্ন প্রকার কুটির শিল্প ইত্যাদি।

(১৫) আশ্রয় কেন্দ্র পরিচালনা ঃ- দুঃস্থ, অনাথ-এতিম ও ছিন্নমূল-টোকাই শিশুদের পাশাপাশি বয়োবৃদ্ধ, বাউল, সংসারত্যাগীদের জন্য সংস্থার অর্থায়নে ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আশ্রয় কেন্দ্র পরিচালনাকরা এবং কেন্দ্রের নিবাসীদের জন্য অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা-প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করে সমাজের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করা। এ জন্য সরকারী বে-সরকারী, দেশী-বিদেশী বিত্তবান ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠান হতে সাহায্যের অর্থ গ্রহন করা।

(১৬) প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ ও সমন্বয় ঃ- সংস্থার কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে সরকারী ও বেসরকারী সকল দফতরে যোগাযোগ রক্ষা করা ও প্রয়োজনীয় সহযোগীতা গ্রহন করা। এ ছাড়া এলাকায় কার্যরত নিবন্ধন প্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যান সংস্থাসমূহের মধ্যে সহযোগী হিসেবে কাজ করা ও সংস্থাগুলোকে সমাজসেবা মূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করা।

(১৭) প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ঃ- প্রতিষ্ঠানের কর্ম এলাকায় শিক্ষিত বেকার যুবকদের পাশাপাশি লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠির আত্মকর্ম সংস্থানের লক্ষে পেশা/ট্রেডভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা।

(১৮) আর্থিক স্বচ্ছলতা সৃষ্টি ঃ- সংস্থার স্থায়ী আর্থিক বুনিয়াদ গড়ার লক্ষে মাসিক চাঁদা আয় বৃদ্ধিমূলক প্রকল্পে ব্যবহার করা যাবে। আয়বৃদ্ধিমূলক প্রকল্প হতে অর্জিত আয় জনস্বার্থে ও সদস্যগণের কল্যাণে ব্যয় করা যাবে। তবে সকল সিদ্ধান্ত কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক হবে। ব্যাংক সুদসহ সকল প্রকার আয়-ব্যয় এর হিসাব আর্থিক বছর তথা ১ জুলাই হতে ৩০ জুন পর্যন্ত হবে।

(১৯) প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা ঃ- প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ ও মৃত্যুজনিত কারণে লক্ষ্যভূক্ত জনগোষ্ঠির সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে এবং দূর্যোগপূর্ব স্বচেতনতাদান ছাড়াও দূর্যোগত্তোর সেবাদানে এই প্রতিষ্ঠান কর্মসূচি প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন করবে।

(২০) যুব কল্যাণ ঃ- এলাকায় প্রতিবন্ধি সমাজের / পরিবারের বোঝা যাতে না হয় তার জন্য তাদের শিক্ষা -প্রশিক্ষন ও আত্ম-কর্মসংস্থানে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহন ও স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম গ্রহন করে সকলের মৌলিক ও মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করণ, জঙ্গি নির্মূল, মাদক নিরোধসহ সংস্থার সামর্থনুযায়ী নিজস্ব অর্থায়নে ও ব্যবস্থাপনায় তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বিশেষ শিক্ষা-প্রশিক্ষণের ও পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করা। শিক্ষিত, অল্প শিক্ষিত, কর্মহীন-হতাশাগ্রস্থ যুব সমাজের কল্যাণে বিভিন্ন প্রকার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্ম-কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। এলাকার যুব সমাজকে জঙ্গী, অনৈতিক-অসামাজিক কার্যকলাপ হতে বিরত রাখতে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচী গ্রহন এবং যুব কল্যাণে সরকারী কাজে সহায়তা করা।

(২১) মাদক ও নেশা মুক্ত সমাজ গড়া ঃ- মাদকাসক্তদের নিরাময় ও পুর্নবাসনের পাশাপাশি, যুব সমাজকে মাদকাসক্তি, সন্ত্রাস ও অ-সামাজিক কাজ থেকে বিরত রাখতে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচী গ্রহন করা এবং সরকারকে সহায়তাদান করা। ধুমপান বিরোধী কার্যক্রম গ্রহন ও বাস্তবায়ন করা।

(২২) স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ঃ- গ্রামীণ প্রতিটি বাড়িতে স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা স্থাপন, বিশুদ্ধ ও আর্সেনিক মুক্ত পানি সরবরাহ কর্মসূচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়নসহ স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচীর আওতায় বিনামূল্যে সাধারণের পাশাপাশি প্রতিবন্ধি ব্যাক্তিদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা। প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ও পরিকল্পিত পরিবার গঠনে সরকারী কার্যক্রমে সহায়তা করা। সুস্বাস্থ্য রক্ষার্থে জীবনহরণকারী সংক্রামক ও মারাত্মক রোগের হাত হতে বাঁচার জন্য সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিসহ শিশুদের ই,পি,আই ভ্যাকসিন নিতে মাতৃস্বাস্থ্য রক্ষার্থে উদ্ধুদ্ধকরণ কাজ পরিচালনা করা। মাশরুমের কালচার প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়ন করা। স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমের আওতায় সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমতিক্রমে বিশেষায়িত স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র পরিচালনা করা।

(২৩) সংশোধনালয় ও পূর্নবাসন কার্যক্রম পরিচালনা ঃ- অপরাধপ্রবণ শিশু-কিশোর, সামাজিক প্রতিবন্ধি মেয়ে/ভ্রাম্যমান ও পেশাদার যৌনকর্মীদের সামাজিক প্রতিবন্ধি সংশোধনকল্পে সংশোধনী কেন্দ্র পরিচালনার পাশাপাশি তাদের এবং জেল ফেরৎ কয়েদী ও মাদকাসক্তদের জন্য পূর্নবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা। এছাড়াও সমাজের শ্রদ্ধাশীল প্রবীন, অসহায় দুস্থ রোগীদের পূর্নবাসন, বিনোদন এবং তাদের কল্যানে সেবামূলক কর্মসূচী গ্রহন ও বাস্তবায়ন করা।

(২৪) পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষা ও সম্পদের সদ্ব্যবহার ঃ- পতিত পুকুর, ডোবা, খালবিল, অনাবাদী নিচু জমির যথাযথ ব্যবহার ও খাদ্য পুষ্টির অভাব পুরন করার লক্ষে সরকারী বে-সরকারী পুকুর লীজ নিয়ে মৎস্য খামার স্থাপন, হাঁস-মুরগী পালন, গবাদি পশু পালন ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাদানের জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা।

(২৫) নারী উন্নয়ন কর্মসূচী পরিচালনা ঃ- যেহেতু , সমাজের অর্ধেক নারী ও শিশু তাই হতদরিদ্র, বিত্তহীন, অসহায়, তালাকপ্রাপ্তা, বিধবা ও সমাজ থেকে পিছিয়ে পড়া ভাগ্যহত নারী সমাজের সার্বিক জীবনমাণ উন্নয়নে সেলাই ও দর্জি বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন প্রকার বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে উন্নয়নমুখী করে তোলা। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সদস্যাদের মধ্যে ট্রেড ভিত্তিক মেশিন পত্র বিতরণ করা। সংস্থার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় উৎপাদন কেন্দ্র পরিচালনা করা ও উৎপাদিত পণ্য দেশ-বিদেশে বাজারজাত করা।

(২৬) শিশু উন্নয়ন কর্মসূচী ঃ- ভবিস্যৎ উন্নত জাতি গঠনের লক্ষে শিশুদের শিক্ষা-প্রশিক্ষণ ও বিনোদনের জন্য আধুনিক ও যুগোপযোগী টেশসই কর্মসূচী প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন করা। শ্রমজীবী ও টোকাই বা পথশিশুদের কল্যাণে কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা । এ ছাড়াও শিল্প ও কলকারখানায় নিয়েজিত শিশু শ্রমিকদের কল্যাণে বিশেষ কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা।
(২৭) নিরক্ষরতা দূরীকরণ ঃ- নিরক্ষরতা দুরীকরণে সরকারী কর্মসূচী বাস্তবায়নে সহায়তাসহ ছিন্নমূল শিশু-কিশোর ও বয়স্ক শিক্ষা/সুশিক্ষা/নৈশ বিদ্যালয় কর্মসূচী গ্রহন করা। সমাজ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান/ সংগঠনের সাথে যোগাযোগ ও সমন্বয় সাধন করা।

(২৮) অর্থ সংগ্রহ কার্যক্রম ঃ- সংস্থার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য সরকারী, স্থানীয়, জাতীয়, আর্ন্তজাতিক ও অন্যান্য সম্পদশালী/বিত্তবান ব্যাক্তি বা সংস্থার কাছ থেেেক প্রয়োজনীয় সাহায্য ও সহযোগীতা এবং আর্থিক সাহায্যের জন্য যোগাযোগ করা। ( বিদেশী সাহায্য গ্রহনের পূর্বে ১৯৭৮ সালের বৈদেশিক সাহায্য অধ্যাদেশ মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।)

(২৯) আর্থিক সহায়তাদান কার্যক্রম ঃ- আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে বেকারত্ব দুরীকরণ ও স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা। বেকার যুবকদের কম্পিউটার, টাইপরাইটিংসহ, টেকনিক্যাল বিভিন্ন ট্রেড ও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণদানের ব্যবস্থা করা এবং সহজ শর্তে বিভিন্ন প্রকার ইলেকট্রনিক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা। অভাবগ্রস্থ, বেকার ও অসমর্থ মানুষের জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে তা পরিচালনা করা। (বিশেষায়িত প্রশিক্ষন কেন্দ্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহন করা হবে)।

(৩০) প্রতিবন্ধি ও আদিবাসী/ হরিজন উন্নয়ন কার্যক্রম ঃ- সংস্থার কর্ম এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাসকারী প্রতিবন্ধি, নপুংশুক/ হিজড়া ও আদিবাসী/ হরিজনদের সমাজের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার জন্য বিশেষ কর্মসূচী গ্রহন করা। যেমনঃ-

(ক) প্রতিবন্ধি ব্যক্তি, আদিবাসী-হরিজন ও নপুংশুক/হিজড়াদের সু-সংগঠিত করার জন্য পৃথকভাবে ডাটাবেইজ জরীপ তথা পারিবারিক তথ্য সংগ্রহ করা।

(খ) জরিপের পর পাড়া/ মহল্লা বা এলাকা ভিত্তিক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইউনিট বা দলে সংগঠিত করা।

(গ) সংস্থার কর্ম এলাকায় অন্যান্য সদস্য অপেক্ষা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষে কর্মসূচী গ্রহন ও বাস্তবায়ন করা।

(ঘ) বয়স ও শারীরিক যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণদানের ব্যবস্থা গ্রহন করা।

(ঙ) অসহায়-দুঃস্থ প্রতিবন্ধিদের সহায়ক সামগ্রী ও চিকিৎসা সেবাদান কর্মসূচী পরিচালনা করা।

(চ) শিক্ষিত ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত প্রতিবন্ধিদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য সহজ শর্তে ট্রেডভিত্তিক যন্ত্রপাতির পাশাপাাশি নগদ অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন করা।

(ছ) প্রতিবন্ধি ব্যাক্তিদের নেতৃত্ব বিকাশে কর্মসূচী গ্রহন ও বাস্তবায়ন করা।

(জ) সামাজিক প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার ও জাতীয় পর্যায়ে সকল ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধি ব্যাক্তি ও আদিবাসী/ হরিজনদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষে সরকারী-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠান সমূহের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা এবং জেলা, আঞ্চলিক, জাতীয় পর্যায়ের সকল প্রকার প্রতিবন্ধি ও আদিবাসী/হরিজন সংগঠন সমূহের সাথে যোগাযোগ ও সম্পর্ক মজবুত করার পাশাপাশি জাতীয় ঐক্য সুসংহত করা। সার্বিক জীবন মান উন্নয়নের জন্য যুগপোযোগী ও প্রয়োজনীয় কর্মসূচী প্রনয়ন এবং বাস্তবায়ন করা।

(ঝ) দিবস পালন ঃ জাতীয়, আর্ন্তজাতিক ও ধর্মীয় দিবস সমূহ যথাযথ মর্যাদায় পালনকরা। সরকারের যাবতীয় সেবা ও সমাজ কল্যাণমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন. সহযোগীতা করা। হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ লোকাচার, ইতিহাস-ঐতিহ্য, কৃষ্টি, ক্রীড়া, শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখতে কর্মসূচী প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন করা।

এক কথায়, সংস্থার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হলো লক্ষ্যভূক্ত জনগোষ্ঠির স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সার্বিক জীবনমান উন্নয়নে যুগোপযোগী এবং প্রয়োজনীয় কর্মসূচী প্রনয়নসহ বাস্তবায়ন করা।